শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন

সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবিকাশমান ভূমিকা—একটি রাজনৈতিক সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

রিপোর্টারের নাম / ৪ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, রাষ্ট্র গঠন এবং গণতন্ত্রের বিবর্তনে সশস্ত্রবাহিনীর একটি অনন্য এবং গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া সশস্ত্র বাহিনী সশস্ত্র যুদ্ধের অগ্রদূত, জাতীয় প্রতিরোধের প্রতীক, জাতি গঠন, শাসক, সার্বভৌমত্বের অভিভাবক, উন্নয়ন সহযোগী এবং কখনও কখনও রাজনৈতিক সংকটে মধ্যস্থতাকারীসহ বহুমুখী ভূমিকা রেখেছে।

১৯৭১ সালে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা একটি শক্তিশালী মিথ প্রতিষ্ঠা করে : তারা কেবল রাষ্ট্রের রক্ষক ছিল না বরং জাতির সার্বভৌমত্ব এবং পরিচয়ের সঙ্গে অন্তর্নিহিতভাবে যুক্ত ছিল। এই উত্তরাধিকার তাদের ওপর বিশাল নৈতিক কর্তৃত্ব এবং জাতির ভবিষ্যত পথচলায় একটি অনুভূত অংশীদারিত্ব অর্পণ করেছিল।

সরাসরি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যুদয়। ১৯৭১ এর ২৫ মার্চের কাল রাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী “অপারেশন সার্চলাইট” এর নামে বাঙালি নিধন শুরু করে। তদানীন্তন পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী, ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেলস, পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনীগুলোর বাঙালি ও অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সদস্যরা এবং সাধারণ জনগণ সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে। বাঙালি সামরিক কর্মকর্তাদের বিশেষ করে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক কর্নেল এম এ জি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান প্রমুখের প্রত্যক্ষ ভূমিকায় অভিযান সমন্বয়, গেরিলাদের প্রশিক্ষণ এবং প্রচলিত ও অনিয়মিত যুদ্ধ সুসংহত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *