Dhaka ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্লেমিংগো একটি পাখির নাম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৩ Time View
৩০

বন্ধুরা, তোমাদের আজ একটি পাখির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব। এই পাখিটির আছে উজ্জ্বল গোলাপি রঙের পালক এবং লম্বা দুটি পা। এর ঘাড় কেমন জান? ইংরেজি ‘এস’ অক্ষরের মতো। এই পাখিটি তার ঘাড়ের জন্য খুব বিখ্যাত, বলতে পারো বিশ্বব্যাপী পরিচিত। তোমরা কি পাখিটির নাম জান? না জানলে সমস্যা নেই, আমিই বলে দিচ্ছি। এই পাখির নাম ফ্লেমিংগো।

ফ্লেমিংগোর প্রিয় খাবার হলো- চিংড়ি, শামুক এবং উদ্ভিদ বা শৈবাল। এরা যখন খাবার খায় তখন মাথা পানির মধ্যে ডুবিয়ে দেয়। তারপর পানির মধ্যে মাথা উল্টে বেলচার মতো করে ফেলে এবং খপ করে মাছ ধরে। এরা পানিতে দৌড়াতে পারে এবং আকাশে অনেক দূর পর্যন্ত উড়তে পারে। এদের দ্রুত উড়তে ডানার সঙ্গে লম্বা পা দু’টি সহায়তা করে।

ফ্লেমিংগো এমনভাবে বাসা তৈরি করে, দেখলে মনে হবে কাদার স্তূপ। এরা টিলার শীর্ষে কিংবা গর্তে ডিম দেয়, মাত্র একটি ডিম দেয়। প্রায় ৩০ দিন পর ডিম ফুটে ছানা বের হয়।বাচ্চা ফ্লেমিংগোর পালক সাদা ও নরম হয় এবং ডানা দুটি সোজা থাকে। কিন্তু, যখন এরা বড় হতে থাকে তখন ডানা দুটি নিচের দিকে বাঁক নেয়। বাবা-মা উভয়ই নবজাতক ফ্লেমিংগোর যত্ন নেয়। জন্মানোর ৫ দিন পর বাসা ছেড়ে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে অন্যান্য ফ্লেমিংগোর সঙ্গে ঘুরতে যায় বাচ্চা ফ্লেমিংগো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ফ্লেমিংগো একটি পাখির নাম

Update Time : ০৯:৪৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৩০

বন্ধুরা, তোমাদের আজ একটি পাখির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব। এই পাখিটির আছে উজ্জ্বল গোলাপি রঙের পালক এবং লম্বা দুটি পা। এর ঘাড় কেমন জান? ইংরেজি ‘এস’ অক্ষরের মতো। এই পাখিটি তার ঘাড়ের জন্য খুব বিখ্যাত, বলতে পারো বিশ্বব্যাপী পরিচিত। তোমরা কি পাখিটির নাম জান? না জানলে সমস্যা নেই, আমিই বলে দিচ্ছি। এই পাখির নাম ফ্লেমিংগো।

ফ্লেমিংগোর প্রিয় খাবার হলো- চিংড়ি, শামুক এবং উদ্ভিদ বা শৈবাল। এরা যখন খাবার খায় তখন মাথা পানির মধ্যে ডুবিয়ে দেয়। তারপর পানির মধ্যে মাথা উল্টে বেলচার মতো করে ফেলে এবং খপ করে মাছ ধরে। এরা পানিতে দৌড়াতে পারে এবং আকাশে অনেক দূর পর্যন্ত উড়তে পারে। এদের দ্রুত উড়তে ডানার সঙ্গে লম্বা পা দু’টি সহায়তা করে।

ফ্লেমিংগো এমনভাবে বাসা তৈরি করে, দেখলে মনে হবে কাদার স্তূপ। এরা টিলার শীর্ষে কিংবা গর্তে ডিম দেয়, মাত্র একটি ডিম দেয়। প্রায় ৩০ দিন পর ডিম ফুটে ছানা বের হয়।বাচ্চা ফ্লেমিংগোর পালক সাদা ও নরম হয় এবং ডানা দুটি সোজা থাকে। কিন্তু, যখন এরা বড় হতে থাকে তখন ডানা দুটি নিচের দিকে বাঁক নেয়। বাবা-মা উভয়ই নবজাতক ফ্লেমিংগোর যত্ন নেয়। জন্মানোর ৫ দিন পর বাসা ছেড়ে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে অন্যান্য ফ্লেমিংগোর সঙ্গে ঘুরতে যায় বাচ্চা ফ্লেমিংগো।